কাকে যাকাত দেয়া জয়েয এবং কাকে দেয়া জায়েয নয়

কাকে যাকাত দেয়া জয়েয এবং কাকে দেয়া জায়েয নয়

কাকে যাকাত দেয়া জয়েয এবং কাকে দেয়া জায়েয নয়? আল্লাহ তা‘আলা ইরশাদ করেন ,যাকাত শুধুমাত্র ফকির, মিসকিন (যাকাত আদায়কারী কর্মচারীবৃন্দু এবং ইসলামের প্রতি অনুরাগী লোকদের  আকৃষ্ট করার জন্য ,দাসত্ব থেকে মুক্তি এবং ঋণগ্রস্থদের ঋণ পরিশধের জন্য যুদ্ধ সামগ্রীহীন ইসলামী যোদ্ধাদের অস্ত্র ক্রয়ের জন্য এবং নিঃস্ব মুসাফিরকে দিতে হবে) এ আট প্রকার ব্যক্তি যাকাতের মাল গ্রহণ করতে পারবে। এ আট প্রকার হতে যাদেরকে তাদের মন জয় করার জন্য দেয়া হতো তারা বাদ পড়বে। যেহুতু আল্লাহ তা‘আলা…

Read More

ফল ও ফসলের  যাকাত

ফল ও ফসলের  যাকাত

ফল ও ফসলের  যাকাতঃ ইমাম আবু হানীফা (র) বলেন যমিনে উৎপাদিত ফল ও ফসল কম হোক আর বেশী হোক এবং নদী কিংবা ঝরনার পানি দ্বারা তা উৎপন্ন হোক বা বৃষ্টির পানি দ্বারা উৎপন্ন হোক উভয় অবস্থাতেই উৎপাদিত ফসলের এক দশমাংশ যাকাত দেয়া ওয়াজিব।কিন্তু কাঠ বাশঁ ও ঘাসের ক্ষেত্রে এক দশমাংশ যাকাত নেই। ইমাম আবু উসুফ ও মুহাম্মাদ (র) বলেন ,উৎপাদিত ফসল পাঁচ আওসাকের কম হলে ওশর তথা যাকাত ওয়াজীব নয়। নবী করীম (সাঃ)-এর সা অনুযায়ী…

Read More

ব্যবসার মালের যাকাত

ব্যবসার মালের যাকাত

ব্যবসার মালের যাকাতঃ ব্যবসায়ের মালামালের ওপর যাকাত ওয়াজিব হবে, তা যে প্রকারেরই হোক না কেন। যখন তার মূল্য সোনা অথবা রুপার হিসাবে নেসাব পরিমাণ হবে যাকাত দেয়ার মূল্য সোনা ও রুপার যে মূল্য ধরা হলে ফকির ও মিসকিনরা লাভবান হয় তাই নির্ধারণ করবে। আর ইমাম আবু ইউসুফ (রঃ) বলেন যা দ্বারা সেগুলো ক্রয় করা হয়েছে তা দ্বারাই মূল্য ধরা হবে। অতঃপর যদি তা মুদ্রা মান ব্যতীত ক্রয় করা হয়ে থাকে তাহলে শহরের অধিক প্রচলিত মু্দ্রা…

Read More

স্বর্ণ ও রুপার যাকাত

স্বর্ণ ও রুপার যাকাত

স্বর্ণ ও রুপার যাকাতঃ স্বর্ণের যাকাতঃ স্বর্ণের পরিমান বিশ মিসকাল অর্থাৎ সাড়ে সাত তোলার কম হলে তাতে যাকাত দিতে হবে না। কাজেই যখন বিশ মিসকাল পরিমান স্বর্ণ কারো মালিকানায় এক বছর অতিক্রম হয় তাতে অর্ধ মিসকাল দিতে হবে। অতঃপর প্রত্যেক চার মিসকালের জন্য অর্ধ মিসকাল তথা দু কিরাত যাকাত দিতে হবে। আর ইমাম আবু হানীফা (রঃ)-এর মতে চার মিসকালের কম হলে যাকাত নেই। সাহেবাইন (রঃ) বলেন বিশ মিসকালের ওপর যা বেশি হবে তার যাকাত হিসাব…

Read More

হজ্জ ও ওমরাহ

হজ্জ ও ওমরাহ

হজ্জ ও ওমরাহঃ আরাফার দিনের ফজিলতঃ আরফার দিন মানুষের পাপ মোচনের দিন। সেদিন মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষমা পায়। আয়েশা (রাঃ) বলেন রসুল (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ আরাফার দিন মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। তিনি তাদের অতি নিকটবর্তী হন এবং তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সামনে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, তারা কী চাচ্ছে? (মুসলিম হাঃ ১৩৪৮, ইবনে মাজাহ হাঃ৩১২৮, মিশকাত হাঃ২৫৯৪)। এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হয় আল্লাহ তা‘আলা আরাফার দিন মানুষকে যত বেশি ক্ষমা করেন অন্য কোনো…

Read More

সূদ ও ইসলাম

সূদ ও ইসলাম

সূদ ও ইসলামঃ সূদ প্রসঙ্গে ইসলামের অবস্থান সবচেয়ে কঠোর ও অনমনীয়। এ ব্যাপরে সুরা বাক্বারাতে মহান আল্লাহর ঘোষণা করেছেন।হে মুমিনগণ তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সূদের যে বাকি অংশ বাকী আছে তা ছেড়ে দাও, যদি তোমরা প্রকৃত মুমিন হও। যদি তোমরা তা না করো তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রসুল (সাঃ)- এর পক্ষ হতে ঘোষনা শুনে রাখ। আর যদি তোমরা তওবা কর তবে তোমাদের মূলধন ফিরিয়ে নিতে পারবে। না তোমরা যুলুম করবে, না তোমাদের প্রতি যুলুম…

Read More

রজব ও শাবান মাসে নির্দিষ্টভাবে কোনো দো‘আ পড়ার বিধান আছে কি?

রজব ও শাবান মাসে নির্দিষ্টভাবে কোনো দো‘আ পড়ার বিধান আছে কি?

রজব ও শাবান মাসে নির্দিষ্টভাবে কোনো দো‘আ পড়ার বিধান আছে কি? রজব ও শা‘বান মাসে নির্দিষ্ট ভাবে কোনো দু‘আ পড়ারা কথা হাদীসের গ্রন্থে বিশুদ্ধ কোনো সূত্রে বর্ণিত নেই। তবে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণীত একটি হাদীস রয়েছে, রসুল (সাঃ) বলেছেন রজব ও শা‘বান মাস আসলে এই দু‘আ পাঠ করতেন,,, আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবিন ওয়া শা‘বানা ওয়া বাল্লিগনা রমাদনা। অর্থঃ হে আল্লাহ তুমি আমাদের রজব ও শা‘বান মাসে বরকত দান করো এবং রমযান মাসে পৌঁছে দাও,…

Read More

পানির ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও অসুখ বৃদ্ধীর আশস্কায় ফরয গোসল করতে না পারলে করনীয়

পানির ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও অসুখ বৃদ্ধীর আশস্কায় ফরয গোসল করতে না পারলে করনীয়

পানির ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও অসুখ বৃদ্ধীর আশস্কায় ফরয গোসল করতে না পারলে করনীয়? পানির ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও যদি কেউ অসুখ বৃদ্ধর আশস্কায় ফরয গোসল করতে না পারে, তাহলে কি তার সালাত ক্বাযা করবে নাকি তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে? পানির ব্যবহারে রোগ বৃদ্ধির ভয় থাকলে তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে। ক্বাযা করার সুযোগ নাই। জাবের (রাঃ) থেকে বর্ণীত তিনি বলেন আমরা কোনো এক সফরে বের হলাম। আমাদের একজনের মাথায় পাথর লেগে মাথা ফেটে যায়। অতঃপর…

Read More

রাসুল (সাঃ)-এর চল্লিশটি সহীহ হাদীস

রাসুল (সাঃ)-এর চল্লিশটি সহীহ হাদীস

রাসুল (সাঃ)-এর চল্লিশটি সহীহ হাদীসঃ ১)  রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন- যে ব্যক্তি আমার চল্লিশটি হাদীস আমার উম্মতের কাছে পৌঁছাবে  তার জন্য আমি কিয়ামতের দিন বিশেষ ভাবে সুপারিশ করব। ২)  মানুষের মধ্যে যারা মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করে এবং উহার জন্য প্রস্তুতি নেয় তারাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। ৩) প্রত্যেক জিনিসের যাকাত আছে, আর দেহের যাকাত হচ্ছে রোজা। ৪)  যে তার সময় আল্লাহর জন্য ব্যয় করে না  তার জন্য জীবন অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়। ৫)  যারা সবসময় ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করে…

Read More

দরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি?

দরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি?

দরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি? না, দুরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে না। কেননা তা রসুল (সাঃ) হতে প্রমাণিত নয়। বরং রসুল (সাঃ) আমাদেরকে যেভাবে পড়তে বলেছেন ঠিক সেভাবেই পড়তে হবে। আবু মূসা ইবনে ত্বালহা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন আমরা রসুল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম হে আল্লাহর রসুল ! আমরা আপনার উপর কীভাবে দরুদ পড়ব? তিনি বললেন এভাবে পড়বে- উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা…

Read More