Chuler jotno o porichorja

চুলের যত্ন ও পরিচর্যা

যখন এক গুচ্ছ ঘন কালো রেশমি-কোমল চুল মাথা থেকে এলিয়ে থাকে, তখন  নিজেকে এতা ঝরঝরে ও সজীব লাগে যা আর কিছুতেই মনে হয় না। কিন্তু এই চুলই যখন ধুলো ময়লা লেগে বিবর্ণ ও চটচটে হয়ে পড়ে তখনই মাথায় হাত চালালেই মনটা দমে যায়। সব সময়ে মনে হয় কীভাবে নেতিয়ে পড়া  অবাধ্য চুলকে আবার আগের মতো মসৃণ ও সুন্দর করে তোলা যায়। মেয়েরা চুল সম্পর্কে এভাবেই চিন্তা করে থাকে। চুলর স্বাস্থ্য মসৃণ তা ঝলমলে ভাব বজায় রাখার জন্য আমরা যে পরিমান সময় ও অর্থব্যয় করি, তেমন বোধ হয় শরীরের অন্য কোনো অঙ্গের জন্য করতে হয় না। খোপা বাঁধা এবং ফিতে দিয়ে বিনুনি করা শেষে একটা ফুল গুজে কেশপ্রসাধন করা বেশ সময়ের ব্যাপার। যদিও নানা রকম খোঁপা বাঁধার মধ্যে বেশ একটা শিল্পী মনের পরিচয় পাওয়া যায়। খোঁপা বেঁধে কেশরচনা কিছুদিন আগে পর্যন্ত ছিল কেশ প্রসাধনের অন্যতম কর্ষণীয় বিষয়। কিন্তু আজকাল এ ধরনের কেশপ্রসাধন আর খুব বেশি চোখে পড়ে না, বরং আমরা আধুনিক মেয়েরা কেশপ্রসাধনের নতুন সংঙ্গা তৈরি করেছি। সুন্দর চুলল বলতে আমরা এখন বুঝি একগুচ্ছ ঘনকালো রেশম-কোমল চুল যা দেখামাত্র ছুয়ে দেখতে ইচ্ছে হয়।

একথা অবশ্যই সত্য যে চুলের সঠিক পরিচর্যা কী করে করতে হয় সটোই রুপপচিন্তার অন্যতম প্রধান বিষয়। একমাত্র সঠিক পরিচর্যাই পারে নেতিয়ে পপড়া বিবর্ণ চুলকে উজ্জল ঝলমলে ভাবে পরিণত করতে। এর জন্য দরকার সাংসারিক জীবনের ফাঁকে একটু সময় করে নিয়ে চুলের যত্ন করা এবং শরীর ও মনের যত্ন নেওয়া।

মনে রাখবেন দৈহিক সৌন্দর্য ও সুন্দর চুল পরস্পর নিবিড়ভাবে সম্পর্কযুক্ত। কী ধরনের পরিচর্যা করবেন তা নির্ভর করে আপনার চুলের গঠন রং ও আপনার চুল কী পর্যায়ে আছে তার ওপর। পরিচর্যার আগে চুল সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা অর্র্থাৎ চুলের প্রকৃতি গঠণ প্রকার ইত্য্যাদি সম্পর্কে ধারণা থাকা দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *