Chuler gothon o Prakrti

Chuler gothon o Prakrti

চুলের গঠন ও প্রকৃতি

চুল পাতলা অথবা মোটা যেমনই হোক না কেন এর গঠন একই রকম। চুল গোলাকার তিনস্তর বিশিষ্ট। যে কোনো একটা চুল লম্বালম্বি ভাগ করলে তিনটি স্তরে পাওয়া যাবে। প্রথম স্তরকে বলে কিউটিকল যা দ্বিতীয় স্তরকে রক্ষা করে। দ্বিতীয় স্তর বা কর্টেক্স লম্বা পাতলা ক্ষারজাতীয় কোষ দ্বারা গঠিত যে জন্যে চুল নমনীয় হয়। দ্বিতীয় স্তরেই পিগমেন্ট বা বর্ণকোষ থাকে, যা চুলের রং নির্ধারণ করে। তৃতীয় স্তর বা মেডুলা স্পঞ্জ জাতীয় কলা দ্বারা গঠিত।

চুলের যে অংশ ত্বকের বাইরে দেখতে পাই সেটাই সব নয়। চুলের কিছুটা অংশ ত্বকের ভেতরে থাক, যাকে চুলের গোড়া বলে। গাড়াশুদ্ধ চুল কিন্ত সরাসরি চামড়ার মধ্যে থাকে না। প্রতিটি চুলের গোড়া থাকে এক একটা থলির মধ্যে যা মূল চামড়ার মধ্যে বসানো থাকেক। এ থলিগুলোকেই হেয়ার ফলিকল বলে। এর শেষ অংশে অতি ক্ষুদ্র সাদা পাব দেখতে পাওয়া যায়, যার পরেই থাকে প্যাপিলা বা মাতৃকোষ। প্যাপিলায় প্রচুর পরিমাণে পুষ্টিকর পদার্থ সঞ্চিত থাকে ও প্যাপিলা থেকেই চুল তর পুষ্টিকর উপাদান সংগ্রহ করে বেড়ে ওঠে। চুল টেনে তুলে ফেললে গোড়ায় সাদামমতো লম্বাটে অংশ দেখা গেলেও প্যাপিলা কিন্তু ভেতরেই থেকে যায়। ফলে প্যাপিলা আবার নতুন করে চুল তৈরি করতে শুরু করে। এজন্য চুল পাকিং করে তুলে ফেললে বা আঁচড়ড়ানোর সময় টান লেগে গোড়া থেকে উঠে গেলেও আবার নতুন করে চুল গজতে থাকে। সেই সাথে সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেতে থাকে।

Leave a Comment