হজ্জ ও ওমরাহ

হজ্জ ও ওমরাহ

হজ্জ ও ওমরাহঃ আরাফার দিনের ফজিলতঃ আরফার দিন মানুষের পাপ মোচনের দিন। সেদিন মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষমা পায়। আয়েশা (রাঃ) বলেন রসুল (সাঃ) বলেছেন, আল্লাহ আরাফার দিন মানুষকে সবচেয়ে বেশি জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন। তিনি তাদের অতি নিকটবর্তী হন এবং তাদের নিয়ে ফেরেশতাদের সামনে গর্ব প্রকাশ করে বলেন, তারা কী চাচ্ছে? (মুসলিম হাঃ ১৩৪৮, ইবনে মাজাহ হাঃ৩১২৮, মিশকাত হাঃ২৫৯৪)। এই হাদীস থেকে প্রমাণিত হয় আল্লাহ তা‘আলা আরাফার দিন মানুষকে যত বেশি ক্ষমা করেন অন্য কোনো…

Read More

রজব ও শাবান মাসে নির্দিষ্টভাবে কোনো দো‘আ পড়ার বিধান আছে কি?

রজব ও শাবান মাসে নির্দিষ্টভাবে কোনো দো‘আ পড়ার বিধান আছে কি?

রজব ও শাবান মাসে নির্দিষ্টভাবে কোনো দো‘আ পড়ার বিধান আছে কি? রজব ও শা‘বান মাসে নির্দিষ্ট ভাবে কোনো দু‘আ পড়ারা কথা হাদীসের গ্রন্থে বিশুদ্ধ কোনো সূত্রে বর্ণিত নেই। তবে আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণীত একটি হাদীস রয়েছে, রসুল (সাঃ) বলেছেন রজব ও শা‘বান মাস আসলে এই দু‘আ পাঠ করতেন,,, আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজাবিন ওয়া শা‘বানা ওয়া বাল্লিগনা রমাদনা। অর্থঃ হে আল্লাহ তুমি আমাদের রজব ও শা‘বান মাসে বরকত দান করো এবং রমযান মাসে পৌঁছে দাও,…

Read More

রাসুল (সাঃ)-এর চল্লিশটি সহীহ হাদীস

রাসুল (সাঃ)-এর চল্লিশটি সহীহ হাদীস

রাসুল (সাঃ)-এর চল্লিশটি সহীহ হাদীসঃ ১)  রসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন- যে ব্যক্তি আমার চল্লিশটি হাদীস আমার উম্মতের কাছে পৌঁছাবে  তার জন্য আমি কিয়ামতের দিন বিশেষ ভাবে সুপারিশ করব। ২)  মানুষের মধ্যে যারা মৃত্যুকে বেশি স্মরণ করে এবং উহার জন্য প্রস্তুতি নেয় তারাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান। ৩) প্রত্যেক জিনিসের যাকাত আছে, আর দেহের যাকাত হচ্ছে রোজা। ৪)  যে তার সময় আল্লাহর জন্য ব্যয় করে না  তার জন্য জীবন অপেক্ষা মৃত্যু শ্রেয়। ৫)  যারা সবসময় ইস্তিগফার (ক্ষমা প্রার্থনা) করে…

Read More

দরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি?

দরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি?

দরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে কি? না, দুরুদে ইব্রাহীম পাঠের পূর্বে বিসমিল্লাহ পড়তে হবে না। কেননা তা রসুল (সাঃ) হতে প্রমাণিত নয়। বরং রসুল (সাঃ) আমাদেরকে যেভাবে পড়তে বলেছেন ঠিক সেভাবেই পড়তে হবে। আবু মূসা ইবনে ত্বালহা তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন আমরা রসুল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলাম হে আল্লাহর রসুল ! আমরা আপনার উপর কীভাবে দরুদ পড়ব? তিনি বললেন এভাবে পড়বে- উচ্চারণঃ আল্লা-হুম্মা ছাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলা আলি মুহাম্মাদিন কামা…

Read More

গর্ভাবস্থায় রমযানের ছিয়াম রাখতে না পরলে করনীয় কি?

গর্ভাবস্থায় রমযানের ছিয়াম রাখতে না পরলে করনীয় কি?

গর্ভাবস্থায় রমযানের ছিয়াম রাখতে না পরলে করনীয় কি? গর্ভাবস্থায় রমযানের ছিয়াম রাখতে পারিনি। এখন যদি প্রতিমাসে সোম ও বৃহস্পতিবার এবং আরবী মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ নিয়মিত ছিয়াম পালন করা হয়। তাহলে ঐ ৩০ টি ছিয়ামের ক্বাযা বা কাফ্ফারা আদায় হবে? এক্ষেত্রে করণীয় কী? না নফল ছিয়াম পালনের দ্বারা ফরয ছিয়ামের ক্বাযা বা কাফফারা আদায় হবে না। নফল ছিয়ামের দিনে ক্বাযা আদায় করতে চাইলে শুধু ক্বাযার নিয়্যতেই আদায় করতে হবে। ক্বাযার পাশাপাশি নফলের নিয়্যত…

Read More

প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ নফল ছিয়াম পালন করা হয়, ঋতুবতী মহিলা তা ক্বাযা আদায় করতে পারবে কি?

প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ নফল ছিয়াম পালন করা হয়, ঋতুবতী মহিলা তা ক্বাযা আদায় করতে পারবে কি?

প্রতি চন্দ্র মাসের ১৩,১৪ ও ১৫ তারিখ নফল ছিয়াম পালন করা হয়, ঋতুবতী মহিলা তা ক্বাযা আদায় করতে পারবে কি? আইয়্যামে বীয  আরবি শব্দ এর অর্থ হলো-দিবসসমূহ  কাল, সময় ইত্যাদি। এটি বহুবচন  এর একবচন হলো ইয়াওম  অর্থ হলো দিন বা দিবস। বীয বা বিদ  অর্থ শ্বেতবরণ শুভ্রবর্ণ  ঔজ্জ্বল্য সফেদ সাদা রং ইত্যাদি। আইয়াম বীয়  বা আইয়াম বিজ  (পরিবর্তিত উচ্চারণে আইয়ুম বেজ) অর্থ শুক্লপক্ষীয় দিব  চান্দ্র মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ। আইয়ামে বীযের রোজা রাখা…

Read More

নফল সিয়াম ও এর নিষিদ্ধকাল প্রসঙ্গ

নফল সিয়াম ও এর নিষিদ্ধকাল প্রসঙ্গ

নফল সিয়াম ও এর নিষিদ্ধকাল প্রসঙ্গঃ হযরত আবু ক্বাতাদা আল আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণীত। তিনি বলেন রসুল (সাঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো- আরাফার দিনে রোযা সম্পর্কে , তিনি বললেন এর দ্বারা বিগত দিনের ও বাকি এক বছরের গুনাহ মোচন হয়। এরপর  জিজ্ঞাসা করা হলো আশুরার দিনের রোযা রাখা সম্পর্কে। তিনি বললেন বিগত দিনের এক বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেওয়া হয়।এরপর জিজ্ঞেসা করা হলো- সোমবারের দিনে রোযা রাখা সম্পর্কে তিনি বললেন এটা সেদিন যেদিন আমি জন্মেছি এবং নবুয়ত…

Read More

ঈদের তাকবীর দেয়ার বিবরণ

ঈদের তাকবীর দেয়ার বিবরণ

ঈদের তাকবীর দেয়ার বিবরণঃ সালাতুল ঈদায়েনে তাকবীরে তাহরীমার পর ক্বিরাআতের পূর্বে প্রথম রাক‘আসে সাত ,দ্বিতীয় রাক‘আতে পাঁচ মোট ১২ তাকবীর দেওয়া সুন্নাত। (আবু দাউদ হাঃ১১৫১ ও ১১৫২,, ১/১৬৩পৃঃ) (ইবনে মাযাহ হাঃ১২৬৩,,৯১পৃঃ) (মিশকাত হাঃ১৪৪১)। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণীত, রসুল (সাঃ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার সালাতে রুকুর দুই তাকবীর ছাড়া প্রথমে সাত আর পরে পাঁচ তাকবীর দিতেন। (ইবনু মাযাহ হাঃ১২৮০,, ৯১পৃঃ) (আবু দাউদ হাঃ১১৪৯,,১/১৬৩পৃঃ)। আব্দুল্লাহ ইবনে আমর ইবনুল আছ (রাঃ) বলেন আল্লাহর নবী (সাঃ) বলেছেন ঈদুল…

Read More

ক্বদর রাত্রি জাগরণ ও ফিতরের আলোচনাঃ

ক্বদর রাত্রি জাগরণ ও  ফিতরের আলোচনাঃ

ক্বদর রাত্রি জাগরণ ও ফিতরের আলোচনাঃ ক্বদরের রাত্রির জন্য বিশেষ কোন ছালাতের কথা হাদীসে বর্ণীত হয়নি। তাই অন্যান্য রাতের মতই ছালাত আদায় করবে। তবে ক্বদরের রাত্র্রিগুলোতে ছালাতকে বেশী বেশী কুরআন তেলাওয়াত ও তাসবীহ-তাহলীলের মাধ্যমে দীর্ঘ করবে। যেমন রসুল (সাঃ) তিন রাত করেছিলেন। (তিরময হাঃ৮০৬, মশকাত হাঃ১২৯৮)।এই রাতে বেশী বেশী ছালাত আদায়ের কোন সুযোগ নেই। কারণ রসুল (সাঃ) রমযান বা রমযানের বাইরে রাত্রিতে ১১ রাক‘আতের অধিক নফল ছালাত আদায় করতেন না।(বুখারী হাঃ২০১৩)। শুধু ২৭-এর রাত্রে নয়…

Read More

কুরআন তেলাওয়াত ও সাদাক্বা

কুরআন তেলাওয়াত ও সাদাক্বা

কুরআন তেলাওয়াত ও সাদাক্বাঃ ইবনু আব্বাস  (রাঃ) হতে বর্ণীত। তিনি বলেন রসুল (সাঃ) অধিক দানশীল ছিলেন। রমযান মাসে তিনি আরও বেশী দান করতেন। কারণ জিবরীল (আঃ) রমযান  মাসের প্রত্যেক রাত্রে তার সাথে সাক্ষাৎ করতেন। রসুল (সাঃ) জিবরীল (আঃ)-আরে নিকট কুরআন পেশ করতেন। যখন জিবরীল (আঃ) তাঁর সাথে সাক্ষাৎ করতেন তখন তিনি ঝড়ের ন্যায় অধিকহারে দান করতেন।(বুখারী হাঃ১৯০২,১ম খন্ড ২৫৫পৃঃ)। রসুল (সাঃ) বলেন নিশ্চয় জিবরীল (আঃ) প্রত্যেক বছর এক বার কুরআন পেশ করতেন। আর এই বছর…

Read More
1 2