স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের পরিচর্যা

স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের পরিচর্যা

মহান সৃষ্টিকর্তার অসেস মেহেরবানিতে সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ্য আছেন। আলোর বাণী.কম ওয়েব সাইটের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনাদের দো‘আয় আমিও ভালো আছি। আজকে আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের পরিচর্যা, আশা বিষয়টি আপনাদেরকে ভালো লাগবে, আর ভালো লাগলে অবশ্যই সেয়ার করে লাইক কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ,,

বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, প্রতিদিন ২বার সকাল ও সন্ধায় বা রাতে পরিচর্যার কাজ করবেন। যেহেতু আপনার ত্বক শুস্ক ও তৈলাক্ত ত্বকের সষুম সমন্বয়, আপনি সেই বিরল ভাগ্যবতীদের অন্যতম যার আদর্শ স্বাভাবিক বা মিশ্র জাতীয় ত্বকের অধিকারী। আপনার উচিত নিয়মিত পরিচর্যা করে স্বাভাবিক বা মিশ্র জাতীয় ত্বকের বিরল সৌন্দর্য বজায় রাখা। প্রথমে ক্লিনজিং পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। ক্লিনজিং করার ক্ষেত্রে নরম গায়ে মাখা সাবান, প্রথমে ঠান্ডা পানি ও পরে কুসুম-কুসুম গরম পানি ব্যবহার করতে পারেন। সাবান ও পানির বদলে ক্লিনজিং মিল্ক বা ক্লিনজিং লোশন ব্যবহার করতে পারেন। কেনার সময় দেখে নেবেন ক্লিনজিং মিল্ক বা লোশনটি যেনন স্বাভাবিক ও মিশ্র ত্বকের উপযোগী ও দামী উৎপাদকের তৈরি হয়। ক্লিনজিং কররার পর নরম তোয়ালে ব্যবহার করবেন।

এই বিংজিং-এর সময় সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। ক্লিনজিং করার ঠিক পরেই ফ্রেশনিং পদ্ধতি অনুসরণ করুন। ফ্রেশিং করার জন্যে টোনার বা ফ্রেশনার বা স্কিন টনিক ব্যবহার করুন। এসবের বদলে যেসব প্রকৃতিপ্রদত্ত ফ্রেশনার পাওয়া যায়। সেসবের থেকে যে কোনো একটা পছন্দমতো বেছে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। ফ্রেশনিং করার পর নরম তোয়ালে ব্যবহার করুন।



প্রতিদিন সকালে ক্লিনজিং ও ফ্রেশনিং করার ঠিক পরেই ময়শ্চরাইজিং পদ্ধতি অনুসরণ করবেন। এক্ষেত্রে ত্বকে ময়শ্চারাইজিং লোশনের হালকা প্রলেপ লাগাবেন অর্থাৎ কম পরিমাণে লোশন ব্যবহার করবেন। (এক্সফোলিয়েটিং পদ্ধতি যেদিন সকালে অনুসরন করবেন, সে সকালে ময়শ্চারাইজিংং করতে হবে না)। প্রতিদিন একবার সন্ধায় বা রাতে ক্লিনজিং ও ফ্রেশনিং পদ্ধতি অনুসরণ করার ঠিক পরেই হালকা ভাবে ক্রিম লাগিয়ে যেভাবে কন্ডিশনিং করার কথা বলা হয়েছে ঠিক সেভাবে কন্ডিশানিং পদ্ধতির সঠিক অনুসরণ করুন। ময়শ্চারাইজিং লোশন লাগান কেবল ত্বকের তেলা অংশে শুস্ক অংশে লাগান পছন্দমতো যে কোনো ক্রিম।

সপ্তাহে একবার সকালে গোসলের একঘন্টা আগে স্টিমুলেটিং পদ্ধতি সঠিকভাবে অনুসরন করুন। মিশ্র বা স্বাভাবিক ত্বকের উপযোগী যেসব মাস্ক বা ফেসপ্যাক বলা হয়েছে তা থেকে যে কোনো একটি নিজের পছন্দমতো বেছে নিয়ে তৈরি করে ব্যবহার করুন। স্টিমুলেটিং করার ঠিক আগেই ক্লিনজিং ফ্রেশনিং ও ময়শ্চারাইজিং করে নেবেন। সপ্তাহে একবার সকালে গোসলের সময় ক্লিনজিং করার ঠিক পরেই এক্সফোলিয়েটিংপদ্ধতি অনুসরণ করুন। মিহি খাবার লবণ প্রভৃতি প্রাকৃতিক উপাদানের সাহায্যেও এক্সফোলিয়েটিং করতে পারেন। এটা বেশ মহজে করা যেতে পারে।

আলোচনাটি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment