লিঙ্গ থেকে মনী বের হওয়ার বর্ণনা

লিঙ্গ থেকে মনী বের হওয়ার বর্ণনা

মনী আল্লাহ পাকের এমন একটি সৃষ্টি যার দ্বারা পুনরায় মানুষ সৃষ্টি হয়। হাম্মাম বিন হারিস (রাঃ) থেকে বর্ণীত, আয়েশা (রাঃ)-এর ঘরে একজন মেহমান আসেন। মা আয়েশা (রাঃ) তার বিছানায় একটি হলুদ রং এর চাদর বিছিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেন। মেহমান ঐ বিছানায় শুয়ে পড়লে স্বপ্নদোষ হওয়ায়  বিছানায় বীর্য লেগে যায়। মেহমান বীর্যের চিহ্নসহ চাদরটাকে আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। তাই তিনি চাদরটিকে পানিতে ধুয়ে তার কাছে পাঠিয়ে দেন। এটা দেখে তিনি আয়েশা (রাঃ) বলেন মেহমান আমাদের কাঁপড়টিকে কেন ধুয়েছেন? আঙ্গুল দিয়ে খুঁটিয়ে বীর্যকে উঠিয়ে ফেললেই তার জন্য যথেষ্ট ছিল। কেননা আমি কখনো কখনো রসুল (সাঃ)-এর কাপড় থেকে (শুকনো বীর্যকে) আঙ্গুল দিয়ে খুটিয়ে ফেলতাম। (তিরমিযী)



মনী (বীর্য) যা ঘন গাঢ় এবং স্বপ্নদোষ হলে অথবা স্ত্রী মিলনের শেষ মুহূর্তে উত্তেজনায় টপকে টপকে বের হয়ে কাপড় ভিজে যায় এবং সেটা শুকিয়ে গেলে ধোয়ার আর প্রয়োজন হয় না। বরং হাত দিয়ে খুঁটে খুঁটে উঠিয়ে ফেললেই যথেষ্ট হয়। হাদীসে অনুরুপ বর্ণীত আছে। প্রায় অধিকাংশ আলেমের মতেই মনীর চিহ্নকে আংগুল দিয়ে খুঁটে ফেলা বৈধ। তবে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার জন্যে সেগুলো ধুয়ে ফেলা উত্তম। আলেমদের মতে মনী (বীর্য) নাপাক, উহা কোন কাঁপড় বা শরীরের কোন অংশ লাগলে উহা ধৌত করতে হবে।

হযরত আলকামা ও আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণীত, একদা এক ব্যক্তি আয়েশা (রাঃ)-এর মেহমান হলেন। অতঃপর সকালে সে তার কাপড় ধুতে লাগল, তখন আয়েশা (রাঃ) বললেন, তুমি যদি কাপড়ে বীর্য দেখতে পাও তবে তোমার জন্য শুধু সে বীর্যের জায়গাটি ধুয়ে ফেলায় যথেষ্ট। আর যদি তা না দেখ, তবে তার আশে পাশে পানি ছিটিয়ে দিলে চলবে। আমি তো রসুল (সাঃ)-এর কাপড় থেকে তা আঁচড়ে উঠিয়ে ফেলতাম, অতঃপর তিনি তা পড়ে নামায আদায় করতেন। (মুসলিম)

আলোচনাটি ভালো লাগলে শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বণী সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment