যৌন বিষয়ক ডাক্তারী পরামর্শ

যৌন বিষয়ক ডাক্তারী পরামর্শ-

সহবাসের পর গোসলের পূর্বে আহার করলে স্বরণ শক্তি হ্রাস পায়।অতএব তখন কোন কিছু খাওয়া উচিত নয়। সহবাসের পর ঘৃত পুষ্টিকর ও মিষ্টি খাদ্য খেয়ে নিবে। যথা ডিম ও গাজরের হালুয়া, মধু মিশ্রিত দুধ কিংবা ফল-ফলাদি খেয়ে নিয়ে যৌন শক্তি অটুট থাকে। যদি এরএকটিও পাওয়া না যায় তাহলে অন্ততপক্ষে ১/২ তোলা গুড় খেয়ে নিলেও মোটামুটি চলে। তবে পাক-পবিত্র হওয়ার পরই খাওয়া শ্রেয়।

কোন অস্বাভাবিক পন্থায় সহবাস করা উচিৎ নয় কারণ এর ফলে বীর্য আটকে গেলে কিংবা বীর্যপাতের সময় তা আটকে রাখলে গণোরিয়া, (এক প্রকার রোগ যাতে পেশাবের রাস্তায় যন্ত্রনা ও মুত্র নালী দিয়ে পূঁজ-রক্ত ইত্যাদি নির্গত হয়) ও মূলনালীর নানাবিধি রোগ সৃষ্টি হয়।তাই বীর্য নির্গত হবার সময় পথকে আটকে রাখা উচিৎ নয়।

যুবক ছেলেরা সর্বদা সুন্দরী নারী ধ্যান করে, প্রেম কাহিণী ও উপন্যাস পাঠে মত্ত থাকে, বিবস্ত্র কুৎসিৎ ছবি দেখে, যৌন উত্তেজনাকর চিত্রের কল্পনা করে, বিশেষত এ যুগের সর্বাপেক্ষা বড় অভিশাপ ব্ল-ফ্লিম দেখে এর ফলে দ্রুত বীর্য স্মলন, শুত্রতারল্য ও ধাতু দুর্বল নামক রোগ সৃষ্টি হয়ে থাকে।

স্বামী-স্ত্রী সর্বদা একই বিছানায় শয়ন কালে যৌন দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। দ্রুত বীর্যপাত থেকে মুক্তি পেতে হলে বেশি টক খাওয়া বর্জন করা উচিত।এছাড়াও জ্বর, পেট ব্যাথা আমাশয় ইত্যাদি রোগ থাকলে সহবাস করা উচিৎ নয়, এ অবস্থায় সহবাস করলে নানা ধরনের জটিলতা রোগের সৃষ্টি হতে পারে।এমনস্থানে সহবাসে লিপ্ত হওয়া উচিৎ নয়,যেখানে হঠাৎ কারো মানুষ এসে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে সহবাসের পূর্ণ স্বাদ উপভোগ করা যায় না এবং দুর্বলতা সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে পেট ভরা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস করলে তা পুরুষের বীর্যপাত তাড়াতাড়ি হয়, অন্যদিকে পাকস্থলীর দুর্বলতা সৃষ্টি হয়, তাই এতে হজমের দুর্বলতা এবং পেট ও কলিজা ফোলা রোগ সৃষ্টি হয়। তাই আহারের অন্তত ৩ঘন্টা পর স্ত্রী সহবাস করা উচিৎ।



পেশাবের বেগ থাকা অবস্থায় সহবাস করলে মূত্রথলি ও মূত্রনালীতে রোগের সৃষ্টি হয় আর পায়খানার বেগ ধারন করে সহবাস করলে অর্শ্বরোগ হবার সম্ভাবনা রয়েছে। চোখ ওঠা রোগ অবস্থায় সহবাস করা ঠিক নয়, যদিও সহবাস করে তবে চোখের ক্ষত সৃষ্টি হয়।নেশা অবস্থায় সহবাস করলে সর্ব শরীরে পচন ধরার প্রবল আশংকা রয়েছে।

যে রাতে স্বামীর সাথে সহবাস করার ইচ্ছা করবে সেদিন সকালেই স্ত্রীকে তা স্বরণ করিয়ে দিবে, যাতে সে নিম্নাঙ্গের কেশ কামিয়ে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে সেজে-গুজে পূর্বেই প্রস্তুতি নিতে পারে। পূর্বেই জানিয়ে রাখলে স্ত্রীর মনেও সহবাসের আগ্রহ সৃষ্টি হয়। এতে উভয়েই সহবাসের পূর্ণ স্বদ ও আনন্দ লাভ করতে পারে।

যদি পেশাবের তীব্র বেগ না থাকে তাহলে পেশাব করবে না। কেননা তাহলে যৌনাঙ্গের উন্থান ও দৃঢ়তা দ্রুত রহিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সহবাসের পূর্বে যদি স্ত্রী পেশাব করে ঠান্ডা পানি দ্বারা এস্তেন্জা করে নেয়, তবে অতি তাড়াতাড়ি তাঁর যৌন স্পৃহা জাগ্রত হয় দ্রুত বীর্যপাত হয়ে যায়।সর্বোপরি যৌনাঙ্গ কিছূটা সংকীর্ণও হয়ে যায়, সহবাসের স্বাদও বৃদ্ধি করে। সহবাস যত কম করা যায়, ততই উত্তম। কারণ সহবাসে পদার্থ ব্যায় হয় তা হলো জীবনী সক্তি। জীবন প্রদীপ এর দ্বারাই আলোকিত থাকে। অতএব এ শক্তি যতকম খরচ করা যায় তত ভালো।

উল্লেখিত আলোচনাটি যদি ভালো লেগে থাকে শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment