যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে পর্দা করতে বাধা দেয় তাকে কী বলা যাবে?

যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে পর্দা করতে বাধা দেয় তাকে কী বলা যাবে ?

তার প্রতি অনুরোধ, সে যেন তার স্ত্রীর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে এবং  তারই শুকরিয়া আদায় করে। কারণ আল্লাহ তাকে এমন একজন সতী নারী স্ত্রী হিসাবে দান করেছেন, যে নিজের সতীত্বকে রক্ষার জন্য মহান আল্লাহর নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে চায়। আল্লাহ তা‘আলা তার মুমিন বান্দাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, তারা যেন নিজেদেরকে এবং পরিবারকে জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা করে।

মহান আল্লাহ বলেন হে ঈমাদারগণ ! তোমরা নিজেদেরকে এবং তোমাদের পরিবার-পরিজনকে রক্ষা করো আগুন থেকে, যার ইন্ধন হবে মানুষ এবং পাথর, যাতে নিয়োজিত আছে নির্মম, কঠোরস্বভাব ফেরেশতাগণ, যারা অমান্য করে না তা যা আল্লাহ তাদেরকে আদেশ করেন। আর তারা যা করতে আদেশপ্রাপ্ত হয়, তা-ই করে। (সুরা তাহরীম আয়াত নং ৬)।

রসুল (সাঃ) পরিবারের বিষয়ে পুরুষদের দায়িত্ব সম্পর্কে বলেন পুরুষ ব্যক্তি তার পরিবারের দায়িত্বশীল এবং সে এই দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। (সহীহ বুখারী হাঃ৮৯৩)।



মহান আল্লাহ এবং তার রসুল (সাঃ)-এর এ সমস্ত নির্দেশের পর ঐ ব্যক্তি  কীভাবে তার স্ত্রীকে শারঈ পোশাক বাদ দিয়ে হারাম পোশাক পরতে বাধ্য করে? অথচ এ পোশাক তার স্ত্রী এবং অন্যদের জন্যও ফিতনার কারণ হবে। অত এব সে যেন তার নিজের এবং স্ত্রীর ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে এবং সার্বক্ষশিক তার শুকরিয়া আদায় করে এ মর্মে যে, তিনি একজন সতী নারীকে তার স্ত্রী হিসাবে নির্ধারণ করেছেন।

আর তার স্ত্রীর ব্যাপারে আমরা বলব আল্লাহর অবাধ্যতায় স্বামীর আনুগত্য চলবে না। কারণ স্রষ্টার অবাধ্যতায় সৃষ্টির আনুগত্য করা হারাম।

Leave a Comment