বিবাহের জন্য নির্দিষ্ট বয়স আছে কী?

বিবাহের জন্য নির্দিষ্ট বয়স আছে কী?

না, ইসলামে বিবাহের জন্য কোনো বয়স নির্ধারণ করা হয়নি। বরং সন্তান বালেগ হলেই বিবাহের উপযুক্ত হয়ে যায়। ইসলাম ধর্মে বিয়ের জন্য নির্দিষ্ট করে কোনো বয়স নির্ধারণ করা হয়নি। তবে ছেলের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে যেন ছেলে উপার্জনের ক্ষমতার হয়। উপার্জন কখনো কখনো খুব অল্প বয়সের হতে পারে সে যদি অবুঝ না হয় এবং সংসার এর দায়িত্ব নিতে সক্ষম হয় তাহলে তার বিয়ে দেয়া যাবে।
হযরত আনাস (রাঃ) হতে বর্ণীত তিনি বলেন রসুল (সাঃ) বলেছেন , যে ব্যাক্তি দু‘টো কন্যাকে তাদের বয়স প্রাপ্ত হওয়া পর্যন্ত লালন-পালন করবে সে ব্যাক্তি ও আমি ক্বিয়ামতের দিনেএভাবে একসাথে থাকব; একথা বলে তিনি তার নিজের আঙ্গুলগুলো একত্রিত করলেন। (মুসলম হাঃ২৬৩১, তিরমিযী হাঃ ১৯১৪, মিশকাত হাঃ৪৯,৫০)।
তবে অভিভাবক তার সুবিধা অনুযায়ী ছেলে-মেয়ের বিবাহ দিতে পারে। তাছাড়া নাবালেগ অবস্থাতেও বিবাহ জায়েয। যেমন রসুল (সাঃ) আয়েশা (রাঃ)-কে যখন বিবাহ করেছিলেন তখন তার বয়স ছিল মাত্র ৬/৭বছর। আয়েশঅ (রাঃ) বলেন রসুল (সাঃ) আমাকে ৬/৭ বছর বয়সে বিবাহ করেছিলেন এবং ৯বছর বয়সে সংসার শুরু করেছিলেন। (বুখারী হাঃ৫১৩৪,আবু দাউদ হাঃ৪৯৩৩)।




বিয়ের গুরুত্ব, প্রয়োজনীয়তা এবং সামাজিক দিক বিবেচনা করে বিয়ে তে মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে কিছু জিনিস অনেক বেশি খেয়াল রাখতে বলা হয়েছে। যার মধ্যে প্রথমেই হলো, যদি বিয়ের জন্য মেয়ে পছন্দ না হয়ে থাকে তাহলে কথা সামনে বাড়ানো উচিত না এবং এতে যেন মেয়ে পক্ষ কোনোভাবেই কষ্ট না পায়। মেয়ে দেখার ক্ষেত্রে ইসলাম যেহেতু নারীর পর্দা ব্যবস্থা রেখেছে, তাই মেয়ের চেহারা দেখা যাবে যতটুকু ইসলাম অনুমতি দেয়। তার নামাজ কালাম পর্দা ব্যবহার এইসব জিনিস নিয়ে খোঁজ নেয়া গুরুত্বের। মেয়ে পক্ষের ঘাড়ে কোনো দায়িত্ব চাপিয়ে দেয়া যাবে না যেমন বিয়ের অনুষ্ঠানের সব খরচ মেয়ে পক্ষ দিক এমন করা যাবে না। বিয়েতে উচিত খরচের বিষয় গুলো ছেলে পক্ষের খেয়াল রাখা।
আলোচ্য প্রশ্ন উত্তরগুলি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন প্রশ্ন উত্তর পোষ্ট করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment