ত্বক পরিচর্যার বিভিন্ন পদ্ধতি

আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ, আশা করছি মহান আল্লাহর রহমতে সবাই ভালো আছেন এবং সুস্থ্য আছেন। আলোর বাণী.কম ওয়েব সাইটের পক্ষ থেকে আপনাদেরকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আলহামদু লিল্লাহ আপনাদের দো‘আয় আমিও ভালো আছি। আজকে আপনাদের সামনে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব তা হলো ত্বক পরিচর্যার বিভিন্ন পদ্ধতি, আশা বিষয়টি আপনাদেরকে ভালো লাগবে, আর ভালো লাগলে অবশ্যই লাইক কমেন্ট করে জানাবেন ধন্যবাদ,,

ফেইশল করা ত্বকের জন্য উপকারী হলেও মহামারীর এই সময়ে স্যালনে যাওয়াটা বেশ ঝুঁকিপূর্ণ। রূপচর্যা-বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে সুন্দর, মসৃণ ও কোমল ত্বক পেতে ফেইশলের উপকারিতা এবং ঘরে বসে নিজেই ফেইশল করার ধাপ সমূহ সম্পর্কে জানানো হল। এর জন্য নির্দিষ্ট কিছু প্রসাধনীর প্রয়োজন হয়। এবং এগুলো কাজ করার জন্য কিছুটা সময় দিতে হয়। তাই ফেইশল করতে অপেক্ষাকৃত বেশি সময় লাগে। ১০ থেকে ১৫ দিন পর পর ফেইশল করলে ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

শরীরের ত্বকে বিশেষ আর্দ্রতার প্রয়োজন। বিভিন্ন রকম বোডি লোশনের সাহায্যে আর্দ্রতা ধরে রাখা যায়। বিশেষত যাদের ত্বক শুস্ক তাদের গোসলের আগে প্রতিদিন তেল মেখে গোসল করা উচিত। মুখমন্ডলের ত্বকের জন্যে বিশেষ পরিচর্যা করা দরকার। প্রতিদিন সকালে ও সন্ধায় বা রাতে তিন-চার মিনিট পরিচর্যা করলেই চলবে। পরিচর্যা বলতে ত্বক পরিস্কার করা ঠান্ডা পানির সাহায্যে ত্বককে আর্দ্র করা ত্বক থেকে মরা কোষ ঝেড়ে ফেলা। এ ধরনের পরিচর্যা কেবল ত্বকের বহিঃস্তরককেই প্রভাবিত করে এব সেটাই যথেষ্ট। ত্বক পরিচর্যার ৬টি পদ্ধতি হলো নিম্নেঃ

১) পরিস্করণ অর্থাৎ ক্লিনজিং (Cleansing).

২) সতেজকরণন অর্থাৎ ফ্লেশনিং (Freshening).

৩)  আর্দ্রকরণ অর্থাৎ ময়শ্চারাইজিং (Moisturizing).

৪) কন্ডিশনিং (Conditioning).

৫) উদ্দিপন অর্থাৎ স্টিমুলেটিং (Stimulating).

৬) শল্কমোচন অর্থাৎ এক্সফোলিয়েটিং (Exfoliating).

ত্বকের প্রকারভেদ অনুযায়ী পরিচর্যার তালিকা ভালো করে দেখুন ও নিজে ত্বক অনুযায়ী পরিচর্যা করুন। মনে রাখবেন, ত্বকের সঠিক যত্ন বলতে বোঝায় অল্প সময়ের মধ্যে পরিচর্যার কাজ শেষ করা। বেশি পরিস্কারের চেষ্টা করলে অথবা খুব বেশি সময় ধরে সাবান ব্যবহার ও বেশি ঘষাঘষির চেষ্টা করলে ত্বকের ক্ষতিই হবে বেশি। তাই এ ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে।

ত্বক পরিষ্কারের উপকারিতা:-

জমে থাকা প্রসাধনী দূর করেঃ ত্বক পরিষ্কার করা হলেও অনেক সময় লোমকূপে প্রসাধনী জমে থাকতে পারে। এবং তা অনেক সময় স্থায়ী হয়ে যায়। ফলে লোমকূপ বন্ধ করে দেয়। নিয়মিত ত্বক পরিষ্কার করা হলে এই সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

মসৃণ উজ্জ্বল ত্বকঃ ত্বকে মৃত কোষের জন্য তা দেখতে নির্জীব, রুক্ষ ও বয়স্ক দেখায়। মৃত কোষ দূর করা হলে তা মসৃণ ও উজ্জ্বল হয়।

আর্দ্রতা রক্ষাঃ ত্বক পরিষ্কার করার পরে ময়েশ্চারাইজ করা হলে ত্বকের আর্দ্রতা বজায় থাকে। ত্বক পরিষ্কার করার ফলে মৃত কোষ দূর হয় এবং এই সময় ত্বকে আর্দ্রতার প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ত্বকের পিএইচ’য়ের ভারসাম্য রক্ষা করতেও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা জরুরি।

রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিঃ ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পেলে নানান ধরনের সমস্যা যেমন বয়সের ছাপ, ত্বকের গুণগত মান, সুগঠিত পেশি ও ক্লান্তিভাব দূর হয়।

আলোচনাটি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণী.কম এর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *