তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন নেওয়ার উপায়

তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা সারা বছরই থাকে। তবে গরমে আর বর্ষায় তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা আরও বেশ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সারাক্ষণ তেল চিটচিটে ত্বকে ধুলোবালি জমে ব্রণ ফুসকুড়ির সমস্যা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। এ ছাড়াও তৈলাক্ত ত্বকে কালচে ছোপ পড়ে যাওয়া তো একটা সাধারণ সমস্যা। ত্বক যত তৈলাক্ত হবে ততই বাড়বে তার কালচে ভাব।

তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই দিনের মধ্যে অন্তত তিন-চারবার ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ ধুয়ে থাকেন। বাজার চলতি নানা প্রসাধনী ব্যবহার করে মুখের তৈলাক্ত ভাব কাটানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতেও সমস্যা থেকেই যায়! তা ছাড়া, বাজার চলতি বেশির ভাগ প্রসাধনী পন্যে ব্যবহৃত রাসায়নিক ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তবে একেবারে ঘরোয়া ভেষজ পদ্ধতিতেও তৈলাক্ত ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

গরম কালে ত্বকের নানা সমস্যা তো হতেই থাকে। আর যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের ভোগান্তি আরও বেশি। তাই গরমকালে ত্বকের যত্ন নেওয়া খুবই জরুরি। আর ত্বক যদি তৈলাক্ত হয় তা হলে তো কোনো কথাই নেই। তৈলাক্ত ত্বকে খুব সহজেই ধুলো-ময়লা জমে যায়। এর সঙ্গে লড়তে গেলে ধারাবাহিক কিছু অভ্যাস আয়ত্তে রাখতে হবে।

তেলগগ্রন্থি থেকে বেশি পরিমাণে তেল নিঃসৃত হবার ফলে এমন ত্বক সবব সময়ে তেলতেলে হয়। ত্বকের গঠণ হয় পুরু ও লোমমককূপের ছিদ্র্র অপেক্ষাকৃত বড় হয়ে থাকে। মাঝে মাঝেই তৈলাক্ত ত্বকে কালো বিন্দু ও Anace জাতীয় ব্রণ দেখা দেয়। কিন্তু এ ধরনের ত্বকের সুবিধা হলো যে, বেশিশ বয়স পর্র্যন্ত ত্বক সজীব থাকে এবং বয়স বেশি হওয়া সত্তেও  সামান্য কোঁচকানো ভাব ও বলিরেখা দেখা দেয় মাত্র্র। সাধারণ মেক আপ করার ঘন্টাখানেক পরেই মুখে  তেলা ভাব দেদখা দেয়য়। তৈলাক্ত ত্বক  পরিস্কার করার সময় বেশি করে সাবান  ব্যবহার  করা বা  তোয়ালে দিয়ে ঘষে ঘষে সব তেল তুলে ফেলার চেষ্টা করা উচিত নয়। কারণ সব তেল তুলে ফেললে তেলগ্রন্থি থেকে আবার নতুন করে তেল নিঃসৃত হতে  থাকবে। কেবল উচিত হবে  বাড়তি তেলটুকু তুলে ফেলা। অতিরিক্ত সাবান ক্লিনজিং  মিল্ক বা লোশন  ব্যবহার  করলে চামড়া বহিঃস্তবক শুস্ক হয়ে  পড়ে এবং সাদা সাদা খড়ি ওঠা  দাগ বা মরামাসে ভরে  যায় ( Fiaky condition )।

গরমকালে তৈলাক্ত ত্বকে বেশি পরিমাণে তেলা ভাব দেখ দেয়। সুতরাং গরমকালে তৈলাক্ত ত্বকের পরিচর্যার কাজ ভালোভাবে করা উচিত। শীতকালে ততোটা প্রয়োজন পড়ে না।

আলোচনাটি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *