তাশাহুদ-এর নিয়ম এবং এর কোনো শানে নূযুল আছে কী?

তাশাহুদ-এর নিয়ম এবং এর কোনো শানে নূযুল আছে কী

শানে নূযুল শব্দের অর্থ অবতরণের প্রেক্ষাপট। শব্দটি সাথারণত কুরআন মাজীদের সুরা বা আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার কারণ  বুঝাতে ব্যবহ্ত হয়।আর হাদীস বর্ণীত হওয়অর বিশেষ কোনো কারণ থাকলে সেটাকে বলা হয় শানে উরুদ। তাশঅহুদের শানে উরুদ সম্পর্র্কে হাদীস এসেছে।.

হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ)থেকে বর্ণীত, তিনি বলেন আমরা যকন রসুল (সাঃ)-এর সাথে সালাতি আদায় করতাম তখন বলতাম আল্লাহর বান্দাদের পক্ষ থেকে তার উপর শান্তি বর্ষিত হোক। উমুক ও উমুকের শান্তি বর্ষিত হোক। তখন রসুল (সাঃ) বললেন আল্লাহর উপর শান্তি বর্ষিত হোক এ কথা তোমরা বলো না। কারণ আল্লাহই হলেন সালাম বা শান্তিদাতা। বরং তোমরা বলো আত্তাহিয়্যাতু লিল্লাহি ওয়াছ ছালাওয়াতু ওয়াত্ব ত্বয়্যিবাতু, আস-সালামু আলায়কা আইয়ুহান নাবিয়্যু ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহু, আস- সালামু আলায়না ওয়া আলা ইবাদিল্লাহিছ ছলেহিন, যখন তোমরা এভাবে বলবে তখন আসমান বা আসমান-যমীনে থাকা সকল বান্দার উপর শান্তি ও রহমত বর্ষিত হবে। এর পর  বলবে আশহাদু আল-লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আব্দুহু ওয়া রসূলুহু। (অতঃপর যা খুশী দু‘আ করবে। (সহীহ, বুখারী হাঃ ৮৩৫, মুসলিম হাঃ৪০২, মিশকাত হাঃ৯০৯)।



তাশাহুদ পড়ার সময় আঙ্গুল নাড়ানো বা সোজা রাখার নিয়ম হলো হালকা ইশারা করতে হবে। মিশকাত ২য় খন্ড হাঃ ৮৪৬,৮৪৭,৮৫০,৮৫১/ মুসলিম ইসলামিক ফাউন্ডেশন হাঃ১১৮৩,১১৮৪,১১৮৫,১১৮৭/ তিরমিযী ১ম খন্ড হাঃ২৮০,২৮১)

সূরা আল-বাক্বারার শেষ আয়াত পাঠস্তে আমীন বলা যাবে কী?

সূরা আল-বাক্বারার শেষ আয়াত পাঠস্তে আমীন বলার ব্যাপারে কোনো সহীহ দলীল পাওয়া যায় না। তবে মু‘আয ইবনে জাবাল (রাঃ) কর্তৃক আমীন বলার প্রমাণে যে হাদীসটি বর্ণীত  হয়েছেতা যঈফ । (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বা হাঃ৮০৬২, ইবনু জারীর হাঃ৬৫৪১, ইবনু কাছীর ১/৭৩৮)।

Leave a Comment