কুরবানী কোন নবীর সুন্নাত?

কুরবানী কোন নবীর সুন্নাত?

আমাদের কুরবানী ইব্রাহীম (আঃ)-এর সুন্নাত। আল্লাহ তা‘আলা ইব্রাহীম (আঃ)-কে পুত্র কুরবানী করতে বলে তাকে পরীক্ষা করতে চেয়েছিলেন। নিশ্চয় এটা এক সুস্পষ্ট পরীক্ষা। অর্থাৎ স্নেহভাজন একমাত্র সন্তানকে যবেহ করার আদেশ একটা বড় পরীক্ষা ছিল যাতে তুমি সফল হয়েছ। (সুরা আস-সফ্ফাত আয়াত নং ১০৬)। তিনি সে পরিক্ষায় উর্ত্তীণ হলে আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হয়ে তাকে পশু কুরবানী করতে বলেছিলেন।

আল্লাহ তা‘আলা বলেন আমি এক মহান কুরবানীর বিনিময়ে পুত্রটিকে ছাড়িয়ে নিলাম। আর আমি তাঁকে পরবর্তীদের মাজে স্বরণীয় করে রাখলাম। আর আমি তার পরিবর্তে যবেহযোগ্য এক মহান জন্তু দিয়ে তাকে মুক্ত করে নিলাম। আর এ বিষয়টি পরবর্তীদের জন্য স্মরণীয় করে রাখলাম। (সুরা আস-সফ্ফাত আয়াত নং ১০৭-১০৮)।

যবেহযোগ্য মহান যন্তু একটি দুম্বা ছিল, যা আল্লাহ তাআলা জান্নাত থেকে জিবরীল (আঃ) মারফত পাঠিয়েছিলেন। (ইবনে কাসীর) ইসমাঈল (আঃ)-এর পরিবর্তে সেই দুম্বাটি যবেহ করা হয়েছিল এবং ইবরাহীম (আঃ)-এর উক্ত সুন্নতকে কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর নৈকট্য লাভের পথ ও ঈদুল আযহার সব থেকে পছন্দনীয় আমল বলে স্বীকৃতি দেওয়া হল।



আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন,বলুন  আমার সালাত আমার নুসুক (কুরবানী) আমার জীবন ও আমার মরণ সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ্‌রই জন্য। (সূরা আনআম আয়াত ননং ১৬২)

আল্লাহ তা‘আলা আরও বলেন, আর আমরা প্রত্যেক সম্প্রদায়ের জন্য মানাসাক এর নিয়ম করে দিয়েছি যাতে তিনি তাদেরকে জীবনোপকরণস্বরূপ যেসব চতুষ্পদ জন্তু দিয়েছেন, সে সবের উপর তারা আল্লাহর নাম উচ্চারণ করে। তোমাদের ইলাহ এক ইলাহ, কাজেই তারই কাছে আত্মসমর্পণ কর এবং সুসংবাদ দিন বিনীতদেরকে।(সূরা হাজ্জ আয়াত নং ৩৪)

পরবর্তীতে সুন্নাতে ইব্রাহীম হিসাবে রসুল (সাঃ) নিনজে মদীননায় প্রতি বছর আদায় করেছেনন এবং সাহাবীগণও নিয়মিত ভাবে কুরবানী করেছেন্ অতঃপর অবিরত ধারায় মুসলিম উম্মাহর সামর্র্থ্যবানদের মধ্যে এটি চালু আছে। এটি কিতাব ও সুন্নাহ দ্বারা সুপ্রমাণিত।

আলোচ্য প্রশ্ন উত্তরগুলি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন প্রশ্ন উত্তর পোষ্ট করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment