কুরবানী ও আক্বীকার মধ্যে পার্থক্য কী?

কুরবানী ও আক্বীকার মধ্যে পার্থক্য কী?

কুরবানী একটি গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত, যা আল্লাহকে সন্তষ্ট করার অন্যতম মাধ্যম। আল্লাহ তা‘আলা বলেন কাজেই আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবানী করুন। (সুরা কাওসার আয়াত নং ২)।

নবজাতক শিশুর পক্ষ থেকে যে জন্তু আল্লাহর পথে জবেহ করা হয় সেই জবেহকৃত পশুকে আক্বীকা বলে। মুখতারুস সহীহ গ্রন্থকার বলেন, নবজাত শিশু যে চুল নিয়ে জন্মগ্রহণ করে সেই চুলকে আক্বীকা বলে। আবার নবজাত শিশুর জন্মের সপ্তম দিনের মাথায় যে বকরী জবেহ করা হয় সেই বকরীকেও আক্বীকা বলে। (ফিকহুস সুন্নাহঃ ২/২২)

আল্লাহর কাছে পৌঁছে না এগুলোর গোস্ত ও রক্ত বরং তাঁর কাছে পৌঁছে তোমাদের তাকওয়া। এভাবেই তিনি সে সবকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন, যাতে তোমরা আল্লাহর তাকবীর পাঠ করতে পরো এজন্য যে, তিনি তোমাদেরকে হিদায়াত দান করেছেন সুতরাং তুমি সৎকর্মশীলদেরকে সুসংবাদ দাও। ( সুরা আল-হজ্জ আয়াত নং ৩৭)।

পক্ষান্তরে আক্বীকা পিতার উপরে সন্তান প্রতিপালনের দায়িত্ব সমূহের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব, যা জন্মের সপ্তম দিনে করতে হয়। (আবু দাউদ হাঃ ২৮৩৭, নাসাঈ হাঃ ৪২২০, মিশকাত হাঃ ৪১৫৩)।

পক্ষান্তরে এর গোশত ফকীর-মিসকিনকে দিতে বাধ্য নয়। বরং তা নিজে খাবে। আর ইচ্ছা করলে আত্বীয়-স্বজন ও ফকীর-মিসকীনকে দিবে।

আলোচনাটি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment