ইসমাঈল (আঃ)-কে যবেহ করার সময় তার চোখ মুখ বেঁধে রাখা হয়েছিল কি?

ইসমাঈল (আঃ)-কে যবেহ করার সময় তার চোখ মুখ বেঁধে রাখা হয়েছিল কি?

ইসমাঈল (আঃ)-কে যবেহ করার সময় তার চোখ মুখ বাঁধা হয়েছিল, হাত পা বাঁধা হয়েছিল, গলায় ছুরি চালানোর সময় গলায় লোহার স্পাত রাখা হয়েছিল এসব কথার কোন ভিত্তি নেই। তবে যবেহের সময় ইসমাঈল (আঃ) সাদা কাপড় পরিহিত ছিলেন এবং পিতাকে কাপড় খুলে ফেলতে বলেন যাতে তা কাফন হিসাবে ব্যবহার করতে পারে। (মুসনাদে আহমাদ হাঃ২৭০৭)।

হযরত ইবরাহীম (আঃ) প্রিয় জন্মভূমি, পিতা-মাতা, আত্মীয় পরিজন ও হিতাকাঙ্খী বন্ধু-বান্ধব সহ নিজের সব কিছু পরিত্যাগ করে ছিয়াশি বৎসরের বৃদ্ধ বয়সে কেনানে অনেকটা আপনজনহীন জীবন-যাপন করছিলেন। আর এতোকাল পর্যন্ত তাঁর ঔরসে কোন সন্তান জন্মে ছিল না। এজন্য তখন তিনি আল্লাহ পাকের নিকট সন্তান কামনা করে দু’আ করলেন। তাঁর মুনাজাত কবুল হলো। আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে এক ধৈর্যশীল সুসন্তানের শুভ সংবাদ দিলেন। সে অনুযায়ী কিছুদিন পর হযরত হাজেরার (রাঃ) গর্ভে এক পুত্র সন্তানের জন্ম হল। তার নাম রাখা হল-ইসমাঈল।



কেনানে অবস্থানকালে হযরত ইসমাঈল যখন দুগ্ধ পোষ্য শিশু তখন আল্লাহ তা‘আলার পক্ষ হতে হযরত ইবরাহীমের (আঃ) প্রতি নির্দেশ এলো-বিবি হাজেরা (রাঃ) সহ কলিজার টুকরো একমাত্র ছেলে সন্তান হযরত ইসমাঈল (আঃ) কে আরবের মরু প্রান্তরে নির্বাসনে রেখে আসতে। এ মহা পরীক্ষার মুখে সামান্যতম বিচলিত না হয়ে নির্দ্বিধায় তিনি স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে মক্কার সেই জন-মানবহীন মরু ভূমিতে সামান্য কিছু খেজুর আর অল্প পরিমাণ পানি দিয়ে রেখে এলেন। কিছু দিনের মধ্যে। সেই সামান্য খেজুর ও পানিটুকু শেষ হয়ে গেলে। পানির পিপাসায় কাতর-তৃষ্ণার্ত ছেলের করুণ অবস্থা দেখে হযরত হাজেরা (রাঃ) পানির সন্ধানে এদিক সেদিক ছুটাছুটি করতে থাকেন। সাফা-মারওয়া তার সেই দৌঁড়াদৌড়ি আল্লাহ তা‘আলার নিকট এতই পছন্দনীয় হয়েছিল যে কিয়ামত পর্যন্ত সেটাকে হজ্বের আহ্কামের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে সেই ইতিহাস চির অম্লান করে রেখেছেন। আর হযরত হাজেরা (রাঃ) পানি না পেয়ে ফিরে এসে অতীব বিস্ময়ে দেখতে পেলেন- হযরত ইসমাঈলের (আঃ) পায়ের গোড়ালির নিকট হতে মাটি ফেটে পানি উথলিয়ে উঠছে। জিবরাঈল (আঃ)  তার বাজু দিয়ে আঘাত করেছিলেন। ঐ আঘাতে তার পা থেকে পানির ফোয়ারা বের হয়ে এই যমযম কুপের আবিষ্কার হয়েছে। এই পানিকেই যমযমের পানি বলে। যমযমের পানি হাউসে কাউসার পানি থেকে বেশী বরকতময়। এই জন্য মিরাজে নেয়ার আগে রসূল (সাঃ) এর সিনা চাক করার সময় জিবরাঈল (আঃ) জান্নাত থেকে সব জিনিসই এনে ছিলেন কিন্তু পানি আনেন নি। যমযমের পানি ব্যবহার করে ছিলেন। এই পানি যেকোন বান্দা যে কোন নিয়তে পান করবে আল্লাহ তা‘আলা পূরণ করবেন। এই পানিতে পানি ও আছে খানাও আছে। এই পানিতে যত পানি মিশানো হোক তার বরকত কমবে না। এই পানি কিয়ামত পর্যন্ত জারি থাকবে। এর লেবেল কখনো কমবে না। তাই আজ যমযম কূপ নামে অভিহিত। হযরত ইবরাহীম (আঃ)  এর স্ত্রী পুত্র আরবের সেই মক্কা-মরু নির্জন অঞ্চলে থাকতেন। আর হযরত ইবরাহীম (আঃ) থাকতেন সিরিয়ার কেনানেই। মাঝে মাঝে মক্কায় এসে তিনি তাঁদেরকে দেখে যেতেন।

একবারের ঘটনা, হযরত ইবরাহীম (আঃ) মক্কা এলেন। তখন ইসমাঈল (আঃ)  সবেমাত্র কৈশোর পেরিয়ে তের বৎসর বয়সে পিতার সঙ্গে এদিক সেদিক আসা-যাওয়া এবং পিতার বিভিন্ন কাজে অংশ গ্রহণ করে তাঁকে সহায়তা করার মত বয়সে উপনীত হয়েছেন, বা মতান্তরে তিনি তের বৎসরের হয়ে এদিক সেদিক ছুটাছুটি করতে শিখেছেন, তখন হযরত ইবরাহীম (আঃ) একদিন স্বপ্নে দেখলেন যে, হযরত ইসমাঈল (আঃ)  স্ব হস্তে যবেহ করছেন। সকালে ঘুম হতে উঠে সারা দিন তিনি এ চিন্তায়ই মগ্ন রইলেন যে, এ স্বপ্ন সত্যি সত্যিই আল্লাহ পাকের পক্ষ হতে দেখানো হয়েছে, নাকি শয়তান আমাকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা করছে। এই দ্বিধা-দ্বন্দ্বের মাঝেই তিনি রাতে ঘুমিয়ে পড়লেন। এ রাতেও আবার একই স্বপ্ন দেখলেন। কারো কারো মতে তৃতীয় রাতেও আবার একই স্বপ্ন দেখলেন। পরপর দুই বা তিন রাতে একই স্বপ্ন দেখার পর এবার তিনি নিশ্চিত হলেন যে, এ স্বপ্ন আল্লাহর পক্ষ হতেই। আর নবীদের স্বপ্ন যেহেতু ওহী তথা আল্লাহ তা‘আলার আদেশরূপে গণ্য হয়ে থাকে সেহেতু এ স্বপ্নের মর্মার্থ এটাই ছিল যে, হে ইবরাহীম! তুমি তোমার প্রাণপ্রিয় পুত্রকে কুরবানী (যবেহ) করে আমার নামে উৎসর্গ করে দাও। সে মুতাবেক হযরত ইবরাহীম (আঃ) আল্লাহর আদেশ পালনে সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে খোদার আদেশ পালনের ব্যাপারে তাঁর সন্তানের মনোভাব জানবার জন্য স্বপ্নের কথা উল্লেখ করত  তাঁর অভিমত চাইলেন। হযরত ইসমাঈল (আঃ) কে আল্লাহ তা‘আলা এ ছোট বয়সেই যে ইল্‌ম ও বুঝশক্তি দিয়েছিলেন  তার গুণে স্বপ্ন শোনা মাত্রই তিনি বুঝে ফেললেন- এ তো আল্লাহর হুকুম। যেহেতু নবীর স্বপ্ন ওহী হয়ে থাকে। তাই কোন প্রকার দ্বিধা না করে তৎক্ষনাৎ তিনি আল্লাহর হুকুম বুঝতে পেরে আল্লাহর নামে জীবন উৎসর্গ করে দেয়ার আবেগ ও আগ্রহ প্রকাশ করে বললেন, হে আব্বাজান, আল্লাহ পাক আপনাকে যে নির্দেশ দিচ্ছেন, তা আপনি যথাযথ পূর্ণ করুন। এ ব্যাপারে আপনি কোন প্রকার দ্বিধা করবেন না। আর আমার জন্যও কোন রকম চিন্তা করবেন না। আমি কথা দিচ্ছি- সেই কঠিন মুহূর্তেও আপনি আমাকে ইনশাআল্লাহ ধৈর্যশীল পাবেন।



সুযোগ্য পুত্রের মুখে এমন বুদ্ধিদীপ্ত আত্মোৎসর্গের স্পৃহা ও অকৃত্রিম আকাঙ্ক্ষা পরিস্ফুটিত হচ্ছিল। ইবরাহীম (আঃ) আশ্বস্থ হলেন এবং খুশীতে তাঁর মন ভরে উঠলো। এখানে কতগুলো লক্ষণীয় ও শিক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে এই যে, প্রথমত হযরত ইবরাহীম (আঃ) কে ফেরেশতার মাধ্যমে সরাসরি হুকুম না করে স্বপ্নে দেখিয়ে ছিলেন। বাহ্যত এর উদ্দেশ্য এই ছিল যে, ইবরাহীম (আঃ) এর প্রভু আনুগত্য যেন পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ পায়। নতুবা স্বপ্নে প্রাপ্ত আদেশে আসল উদ্দেশ্য পাশ কাটিয়ে ইচ্ছা মাফিক অন্য কোন ব্যাখ্যা বের করে নেয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু হযরত ইবরাহীম (আঃ) এ ধরনের কোন পন্থা অবলম্বন না করে স্বপ্নের পরিষ্কার অর্থ যা তার উপর আমল করতে প্রস্তুত হয়ে যান।

তাছাড়া এ আদেশের উদ্দেশ্য এটা ছিল না যে, সত্য সত্যই ইসমাঈলকে যবেহ করা হবে। বরং আল্লাহ তা‘আলার উদ্দেশ্য এতটুকুই ছিল যা তিনি করেন। যাতে প্রভুপ্রেমে ত্যাগ স্বীকারে তিনি কতটুকু আন্তরিক একনিষ্ঠ তার পরীক্ষা হয়ে যায়। সে মুতাবেক হযরত ইবরাহীম (আঃ) স্বীয় পুত্রকে যবেহ করতে পূর্ণ প্রস্তুতি নিলেন। এ পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে স্বপ্নও বাস্তবায়িত হলো। পক্ষান্তরে আল্লাহপাক যদি সরাসরি হুকুম করতেন, তাহলে পরে আবার ইবরাহীম (আঃ).-এর পরীক্ষা সম্পন্ন হয়ে যাওয়ার পর আল্লাহর এ হুকুমটি রহিত করতে হতো এবং তখন আল্লাহ তা‘আলার একটি হুকুম অকার্যকর গণ্য হত।

উল্লেখ্য যে হযরত ইসমাঈল (আঃ) পিতার মুখ থেকে আল্লাহ তা‘আলার হুকুমের কথা শুনেই আল্লাহর রাহে স্বীয় জীবন উৎসর্গ করার দৃঢ় আত্মপ্রত্যয় ব্যক্ত করার সাথে সাথে পিতাকেও যেভাবে সান্তনা দিয়ে আশ্বস্থ করে এই মহা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে সহায়তা করেছেন, তাঁকে যবেহ করার চরম মুহূর্তে ধৈর্যের যে চরম পরাকাষ্ঠ প্রদর্শন করেছেন এবং পিতাকে যে সকল গুরত্বপূর্ণ ও সৎপরামর্শ দিয়েছিলেন, সেগুলোর মধ্যে আমাদের জন্য অনুসরণযোগ্য অনেক মূল্যবান শিক্ষা ও উপদেশ রয়েছে। আলোচনার শেষাংশে তা উদ্ধৃত হবে।

মূল ঘটনাঃ-  খলীলুল্লাহ ইবরাহীম (আঃ) মহান আল্লাহর হুকুম পালনের জন্য স্বীয় পুত্র ইসমাঈলকে নিয়ে কুরবানীর নির্ধারিত স্থান মিনা’র পানে রওয়ানা হলেন। আল্লাহর ইশক ও আনুগত্যের এমন মহান দৃষ্টান্ত দেখে ইবলিস শয়তানের আর সহ্য হচ্ছিল না। সে জানতো, আল্লাহর আনুগত্যে দৃড়পদ ইবরাহীম আ.-কে মুকাবিলা করে এতটুকুও টলানো যাবে না। তাই সে প্রথমে অতিশয় দয়ালু ও সহানুভূতিশীল মানুষের আকৃতিতে হযরত ইসমাঈলের (আঃ) মাতা হযরত হাজেরা (রাঃ)-এর নিকট এসে জিজ্ঞাসা করলোঃ ইসমাঈল কোথায় গিয়েছে? হাজেরা উত্তর দিলেন- সে তো তাঁর আব্বার সঙ্গে জঙ্গল হতে কাষ্ঠখড়ি আনতে গিয়েছে। শয়তান বললো-তুমি জানোনা, তাঁর পিতা তাকে যবেহ করতে নিয়ে গেছে। হযরত হাজেরা (রাঃ) পাল্টা প্রশ্ন করলেন? এমন কোন পিতাও কি কোথাও আছে, যে আপন সন্তানকে যবেহ করে? শয়তান বললো- তিনি বলেন যে, আল্লাহ নাকি তাঁকে এ আদেশ দিয়েছেন। এ কথা শুনে যোগ্যমতো যোগ্য উত্তরই দিলেন যে, বাস্তবিকই যদি আল্লাহর হুকুম হয়ে থাকে তাহলে তাকে একাজ করতে দেয়াই কর্তব্য।



এখান থেকে শয়তান হতাশ হয়ে পিতা-পুত্রের পিছু অবলম্বন করলো। তারা মক্কা হতে মিনার পথে অগ্রসর হচ্ছিলেন। প্রথমে সে ইসমাঈলকে (আঃ) বললো  তুমি কি জানো তোমাকে তোমার আব্বা কোথায় নিয়ে যাচ্ছে? ইসমাঈল (আঃ) বললেন, আমরা এ উপত্যকা হতে আমাদের বাড়ীর জন্য কাষ্ঠ সংগ্রহ করবো। শয়তান বললো, তুমি জানো না!  আমি হলফ করে বলছি তাঁর উদ্দেশ্য তোমাকে গলা কেটে যবেহ করা। ইসমাঈল (আঃ) জিজ্ঞাসা করলেন  আব্বা আমাকে যবেহ করবেন কেন? শয়তান বললো তোমার আব্বা বলেন যে, তাঁর প্রভু নাকি এরূপ নির্দেশ করেছেন। এ কথা শুনে হযরত ইসমাঈল (আঃ)  বললেন, তাহলে আল্লাহ পাক তাঁকে যে হুকুম করেছেন  তিনি তা পালন করবেন। এরজন্য এতটুকু ত্যাগ স্বীকার করতে আমি সম্পূর্ণরূপে প্রস্তুত আছি। এখানেও ব্যর্থ হয়ে অবশেষে সে বন্ধু বেশে হযরত ইবরাহীম (আঃ) -এর সম্মুখে উপস্থিত হলো এবং সহানুভূতির কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করলো কোথায় যাচ্ছেন চাচাজান! হযরত ইবরাহীম (আঃ) উত্তরে বললেন, আমি বিশেষ এক কাজে এ উপত্যকায় যাচ্ছি। শয়তান বল্ল আমার বিশ্বাস শয়তানই আপনাকে আল্লাহর নাম করে স্বপ্নের মধ্যে পুত্রকে হত্যা করার আদেশ দিয়েছে। এমন কথা শুনে হযরত ইবরাহীম (আঃ) শয়তানকে চিনে ফেললেন এবং তার কুমতলব টের পেয়ে গেলেন। তিনি ধমক দিয়ে শয়তানকে বললেন হে আল্লাহর দুশমন! তুই আমার এখান থেকে সরে যা। আমি যে কোন মূল্যে আমার প্রতিপালকের আদেশ পালনের লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবো। এখানেও শয়তান ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেল। এরপরে যখন হযরত ইবরাহীম (আঃ) জামরায়ে আকাবা (হজ্জ্বের মধ্যে শয়তানকে কংকর নিক্ষেপ করার প্রান্ত স্তম্ভ) এর নিকট পৌছলেন,তখন শয়তান সেখানে এক বিশালকায় আকৃতিতে ইবরাহীম (আঃ) -এর গতিরোধ করে সামনে দাঁড়াল। হযরত ইবরাহীম (আঃ) -এর সঙ্গে পূর্ব থেকেই একজন ফেরেশতা নিযুক্ত ছিলেন। ফেরেশতা বললেন, শয়তানকে পাথর মারুন। ইবরাহীম (আঃ)  ‘আল্লাহু আকবার’ বলতে বলতে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করলে শয়তান পিছু হটে যেতে বাধ্য হয়। এখান থেকে সামনে অগ্রসর হলে, শয়তান পুনরায় জামরায়ে উসতা (মধ্যস্তম্ভ)-এর নিকট প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলো। তখন এখানেও হযরত ইবরাহীম (আঃ)  তাকবীর ধ্বনি দিয়ে সাতটি কঙ্কর নিক্ষেপ করে শয়তানকে তাড়িয়ে দিলেন। অতঃপর জামরায়ে উলা (১ম স্তম্ভ)-এর নিকট পৌঁছলে তৃতীয়বারের মত শয়তান হযরত ইবরাহীম (আঃ)-এর পথরোধ করে দাঁড়াল। এখানেও তিনি কঙ্কর মেরে শয়তানকে হটিয়ে দিলেন। স্মর্তব্য যে, হজ্জ্বে শেষ পর্যায়ে রমীর (কংকর নিক্ষেপের) যে বিধান রয়েছে, তা হযরত ইবরাহীম (আঃ) এর এই প্রিয় আমলের স্মৃতিকে কিয়ামত পর্যন্ত ধরে রাখার জন্য বিধিবদ্ধ হয়েছে।

আলোচনাটি ভালো লেগে থাকলে অনেক অনেক শেয়ার করবেন এবং কমেন্ট করবেন। আপনাদের এই সুন্দর কমেন্ট আমাদেরকে নতুন আলোচনা করতে মোটিভেট করে এবং সব সময় আলোর বাণীর সঙ্গে যুক্ত থাকবেন ধন্যবাদ।

Leave a Comment